Welcome to Govt. Azizul Huque College, Bogra

HomeFeedbackSitemap

Other Links

সরকারি আজিজুল হক কলেজ,বগুড়া

বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর-সভ্যতার লীলাভূমি হযরত শাহ সুলতান বল্খির স্মৃতি বিজড়িত পূণ্যভূমি পুন্ড্রবর্ধনখ্যাত সুপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নগরী বগুড়া। উত্তর বঙ্গের কেন্দ্রস্থল বগুড়ায় কৃষি ও শিল্প বিকাশ ঘটেছিল সুপ্রাচীনকালেই। শিক্ষার ক্ষেত্রেও পিছিয়ে ছিলনা অত্র অঞ্চল। প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার বছর (খ্রীঃপূঃ ৬ষ্ঠ শতক থেকে ১২ শতক) পূর্বে পুন্ড্রবর্ধন তথা মহাস্থানগড়ে বিভিন্ন শাসক বর্গের কেন্দ্র ও প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে ব্যবসা বাণিজ্য ও শিক্ষা দীক্ষায় এর চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল। মধ্যযুগ পর্যন্ত এ ক্ষয়ষ্ণু ধারা অব্যাহত ছিল। চর্যাপদের বেশ কয়েক জন ভিক্ষু (পদকর্তা) সোমপুর (পাহাড়পুর) ও মহাস্থানের বিহারে (বেহুলার বাসর ঘর খ্যাত) শিক্ষা নিয়েছেন ও শিক্ষা দিয়েছেন। সমগ্র মধ্যযুগে বাংলার অন্যান্য অঞ্চলের মতো শিক্ষা ব্যবস্থাও ঢৌল চতুষ্পাষী ও সস্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। বৃটিশ আমলে ১৮২১ সালে বগুড়া জেলা গঠনের পর স্থানীয় জনগন এবং ইংরেজ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বগুড়ায় বেশ কিছু মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। এগুলোর মধ্যে বগুড়ার পৌড় উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৪৩), বগুড়া জেলা স্কুল (১৮৫৩) এবং সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, ভি. এম স্কুল ১৮৫৭) অন্যতম। ১৯৩৯ সালের পূর্বে বগুড়ায় উচ্চ শিক্ষার জন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। তখন এ অঞ্চলের মানুষকে উচ্চ শিক্ষার জন্য নির্ভর করতে হতো- রাজশাহী কলেজ, পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ এবং রংপুর কারমাইকেল কলেজ উপর। বিস্তারিত...

বাংলার কৃতী সন্তান স্যার ড. এম আজিজুল হক

স্যার ড. আজিজুল হক ১৮৯২ সালের ২৭ নভেম্বর নদীয়া জেলার শান্তিপুর গ্রামের এক সাধারণ মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মুন্সি মনিরুদ্দীন আহমদ। পিতামহ নাসিমউদ্দিন আহমদ। তিনি পিতা মাতার একমাত্র সন্তান। শৈশবে মাকে হারিয়েছেন । পিতৃব্য কবি মোজাম্মেল হকের তত্ত্বাবধানে ও অভিভাবকত্বে এক নিঃসন্তান চাচীর স্নেহছায়ায় তাঁর শৈশব কেটেছে।
শিক্ষা জীবনঃ শান্তিপুরে পিতামহের প্রতিষ্ঠিত পারিবারিক বিদ্যালয়ে আরবি ও বাংলা শেখার মাধ্যমে তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু হয়। শান্তিপুর হাই মুসলিম ইংরেজী স্কুলে তিনি পড়েছিলেন এবং ১৯০৭ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাস করেন। কলকাতা প্রেসিডেন্সী কলেজে এফ.এ. ও বি.এ অধ্যয়ন করেন। ১৯০৯ সালে এফ.এ ও ১৯১১ সালে ডিস্টিংশনসহ বি.এ. পাস করেন। কলকাতা ইউনিভার্সিটি ল কলেজ থেকে ১৯১৪ সালে বি.এল. ডিগ্রী লাভ করেন।
বৈবাহিক জীবনঃ আজিজুল হক ১৯১৫ সালের মে মাসে হুগলী জেলার শিমলাগড়ের জমিদার মোহাম্মদ আবু সাঈদের কন্যা কানিজ খাতুনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আজিজুল হক-কানিজ খাতুনের পাঁচ পুত্র ও পাঁচ কন্যা তার মধ্যে দুই ছেলে এবং পাঁচ মেয়ে বর্তমানে জীবিত রয়েছেন।
কর্মজীবনঃ ১৯১৫-তে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে ওকালতি শুরুর মধ্য দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। বেটনা ইউনিয়ন বোর্ডেও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত। ১৯২৬-এ নদীয়া জেলার সরকারী উকিল (জিপি) ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পদ লাভ করেন। একই বছর বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার সদস্য নির্বাচিত। ১৯২৬-১৯৩৪ পর্যন্ত নদীয়া জেলা বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান। ১৯২৯-এ ব্যবস্থাপক সভায় পূণঃনির্বাচিত। এই নির্বাচনে এ.কে. ফজলুল হক তাঁকে সমর্থন করেন। ১৯৩৩ এ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় কৃষ্ণনগর মিউনিসিপালিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত। ১৯৩৪ এর ১৫ জুন বঙ্গীয় সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নিযুক্ত। ১৯৩৭ এ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার সদস্য নির্বাচিত। একই বছর লীগ কোয়ালিশন দলের সদস্যদের ভোটে ব্যবস্থাপক সভার স্পীকার নির্বাচিত। ১৯৪২ পর্যন্ত এ পদে দায়িত্ব পালন। ১৯৩৮ এর আগস্ট মাসে দুই বছরের জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত। ১৯৪০ এ এই পদে পুনঃনিযুক্তি লাভ এবং ১৯৪২ এর মার্চ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন। ১৯৪২ এর বিস্তারিত...

মতামত/পরামর্শ কর্ণার
আপনার মূল্যবান মতামত বা পরামর্শ প্রদান করুন
সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি
No notice Found

Related Links